প্রবন্ধ-আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ধারা (একাদশ শ্রেণী)

প্রবন্ধ-আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ধারা (একাদশ শ্রেণী)

                             প্রবন্ধ

১। ‘চারুপাঠ’ বৈজ্ঞানিক বিষয় গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

(ক) ভূদেব মুখোপাধ্যায়

(খ) রবীন্দ্রনাথ

(গ) অক্ষয়কুমার দত্ত

(ঘ) রামমোহন

২। ‘পারিবারিক প্রবন্ধ’, ‘সামাজিক প্রবন্ধ’, ‘আচার প্রবন্ধ’ গ্রন্থগুলির রচয়িতা কে?

(ক) ভূদেব মুখোপাধ্যায়

(খ) অক্ষয়কুমার দত্ত 

(গ) রামমোহন রায়

(ঘ) রবীন্দ্রনাথ

৩। ‘আত্মতত্ত্ববিদ্যা’, ‘ব্রাহ্মধর্মের ব্যাখ্যান’, ‘জ্ঞান ও ধর্মের উন্নতি গ্রন্থগুলির রচয়িতা কে?

(ক) অক্ষয়কুমার দত্ত

(খ) বিদ্যাসাগর

(গ) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর

(ঘ) ভূদেব মুখোপাধ্যায়

৪। ‘হিন্দুধর্মের শ্রেষ্ঠতা’, ‘সেকাল আর একাল’, ‘বৃদ্ধ হিন্দুর আশা’, ‘আত্মচরিত’ গ্রন্থগুলির রচয়িতা কে?

(ক) রামমোহন 

(খ) অক্ষয়কুমার দত্ত

(গ) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর

(ঘ) রাজনারায়ণ বসু

৫। ‘মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত’, ‘লোকরহস্য’ ‘কমলাকান্তের দপ্তর’ প্রবন্ধগুলির রচয়িতা কে?

(ক) রবীন্দ্রনাথ

(খ) বিদ্যাসাগর

(গ) বঙ্কিমচন্দ্র

(ঘ) রামমোহন

৬। ‘ধর্মতত্ত্ব’, ‘বিজ্ঞানরহস্য’, ‘বিবিধ প্রবন্ধ’ গ্রন্থগুলি কে রচনা করেছেন?

(ক) বিদ্যাসাগর

(খ) রামমোহন

(গ) বঙ্কিমচন্দ্র

(ঘ) রাজনারায়ণ বসু

৭। ‘পরিব্রাজক’, ‘প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য’, ‘ভাববার কথা’ প্রবন্ধগুলির রচয়িতা কে?

(ক) বিদ্যাসাগর

(খ) বিবেকানন্দ

(গ) বঙ্কিমচন্দ্র

(ঘ) কালীপ্রসন্ন ঘোষ

৮। ‘স্বদেশ’, ‘রাজাপ্রজা’, ‘পরিচয়’, ‘কালান্তর’ প্রবন্ধগুলি কে লিখেছেন ?

(ক) রবীন্দ্রনাথ

(খ) বিবেকানন্দ

(গ) বিদ্যাসাগর

(ঘ) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর

৯। রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত প্রবন্ধের নাম কী?

(ক) সভ্যতার সংকট

(খ) কালারে 

(গ) বিচিত্র প্রবন্ধ

(ঘ) শিক্ষা

১০। ‘জিজ্ঞাসা’, ‘কর্ণকথা’, ‘বিচিত্রজগৎ’ প্রবন্ধগুলির রচয়িতা কে?

(ক) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী

(খ) রবীন্দ্রনাথ

(গ) বিদ্যাসাগর

(ঘ) রাজশেখর

১১। ‘বাঙালি সংস্কৃতির রূপরেখা’ প্রবন্ধটির রচয়িতা কে?

(ক) সুনীতিকুমার

(খ) বঙ্কিমচন্দ্র

(গ) অন্নদাশংকর

(ঘ) গোপাল হালদার

১২। ‘বাহ্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধবিচার’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন –

(ক) রামমোহন রায়

(খ) রবীন্দ্রনাথ

(গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিন্যাসাগর

(ঘ) অক্ষয়কুমার দত্ত

১৩। ‘বহু বিবাহ রহিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক বিচার’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন –

(ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

(খ) রামমোহন 

(গ) অক্ষয়কুমার দত্ত

(ঘ) রবীন্দ্রনাথ

১৪। ‘কৃষ্ণচরিত্র’ প্রবন্ধের লেখক হলেন –

(ক) রামমোহন 

(খ) বঙ্কিমচন্দ্র

(গ) বিদ্যাসাগর 

(ঘ) অক্ষয়কুমার

১৫। ‘ঐতিহাসিক রহস্য, ‘ভারতরহস্য’ প্রবন্ধ সাহিত্য দুটির রচয়িতা হলেন –

(ক) বঙ্কিমচন্দ্ৰ

(খ) রামদাস সেন

(গ) অক্ষয়কুমার দত্ত

(ঘ) বিন্যাসাগর

১৬। ‘শকুন্তলা তত্ত্ব’, ‘ফুল ও ফল’, ‘বাংলা সাহিত্যের প্রকৃতি’ প্রবন্ধগুলির রচয়িতা হলেন –

(ক) রামদাস সেন

(খ) বিদ্যাসাগর

(গ) চন্দ্রনাথ বসু

(ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র

১৬। ‘সমাজ সমালোচনা’, ‘আলোচনা’, ‘রূপক ও রহস্য’ প্রবন্ধগুলির রচয়িতা হলেন –

(ক) চন্দ্রনাথ বসু

(খ) অক্ষয়চন্দ্র সরকার 

(গ) বঙ্কিমচন্দ্র

(ঘ) রামদাস সেন

১৭। ‘সাহিত্যমঙ্গল’ প্রবন্ধটির রচয়িতা হলেন –

(ক) অক্ষয়চন্দ্র সরকার

(খ) রামদাস সেন

(গ) বঙ্কিমচন্দ্র 

(ঘ) ঠাকুরদাস মুখোপাধ্যায়

১৮। ‘প্রভাতচিন্তা’, ‘নিভৃতচিন্তা’, ‘নিশীথচিন্তা’ প্রবন্ধগুলির রচয়িতা

(ক) বঙ্কিমচন্দ্র 

(খ) কালীপ্রসন্ন ঘোষ

(গ) রামদাস সেন

(ঘ) অক্ষয়কুমার সরকার

১৯। ‘তত্ত্ববিদ্যা’, ‘নানা চিন্তা’, ‘প্রবন্ধমালা’, ‘চিন্তামণি’ প্রবন্ধগুলির রচয়িতা –

(ক) রামদাস সেন

(খ) ঠাকুরদাস মুখোপাধ্যায় 

(গ) দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর

(ঘ) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর

২০। ‘প্রাচীন সাহিত্য’, ‘সাহিত্য’, ‘সাহিত্যের পথে’, ‘সাহিত্যের স্বরূপ’ প্রবন্ধগুলির রচয়িতা হলেন –

(ক) বিবেকানন্দ 

(খ) রবীন্দ্রনাথ

(গ) বিদ্যাসাগর

(ঘ) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর

২১। রবীন্দ্রনাথের শিক্ষা সম্পর্কে একটি প্রবন্ধের নাম হল –

(ক) শান্তিনিকেতন

(খ) লোকসাহিত্য 

(গ) মানুষের ধর্ম

(ঘ) শিক্ষা

২২। রবীন্দ্রনাথের রাজনীতি বিষয়ক একটি প্রবন্ধ হল –

(ক) আত্মশক্তি

(খ) পঞ্চভূত

(গ) পথের সঞ্চয়

(ঘ) ধর্ম

২৩। ‘চিত্র ও কাব্য’ প্রবন্ধ সংকলনটির রচয়িতা হলেন –

(ক) বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর 

(খ) রাজশেখর

(গ) অক্ষয়কুমার দত্ত 

(ঘ) রবীন্দ্রনাথ

২৪। ‘প্রকৃতি’, ‘জিজ্ঞাসা’, ‘কর্মকথা’, ‘শব্দকথা’, ‘বিচিত্র জগৎ’ প্রবন্ধগুলির রচয়িতা হলেন –

(ক) রাজশেখর

(খ) রবীন্দ্রনাথ

(গ) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী

(ঘ) বিদ্যাসাগর

২৫। ‘তেল নুন-লকড়ি’, ‘বীরবলের হালখাতা’, ‘নানা কথা’, ‘নানা চর্চা’ প্রবন্ধগুলির রচয়িতা হলেন –

(ক) রামেন্দ্রসুন্দর 

(খ) রবীন্দ্রনাথ

(গ) প্রমথ চৌধুরী

(ঘ) বিদ্যাসাগর

২৬। বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কমলাকান্তের দপ্তর’ গ্রন্থটির প্রকাশকাল হল –

(ক) ১৮৭৪

(খ) ১৮৭৬ 

(গ) ১৮৭৫

(ঘ) ১৮৭৭

২৭। ‘প্রসন্ন গোয়ালিনী’ চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্রের কোন গ্রন্থে রয়েছে?

(ক) কমলাকান্তের দপ্তর 

(খ) লোকরহস্য

(গ) কৃষ্ণচরিত্র

(ঘ) ধর্মতত্ত্ব

২৮। ‘নসীরামবাবু’ কার প্রবন্ধের চরিত্র?

(ক) রবীন্দ্রনাথের 

(খ) বঙ্কিমচন্দ্রের

(গ) ভূদেব মুখোপাধ্যায়ের

(ঘ) বিদ্যাসাগরের

২৯। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সমালোচনামূলক প্রবন্ধ হল –

(ক) শান্তিনিকেতন

(খ) ভারতবর্ষ

(গ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপ

(ঘ) সাহিত্যের পথে

৩০। রবীন্দ্রনাথের ধর্ম ও দর্শনমূলক প্রবন্ধের নাম হল –

(ক) স্বদেশ 

(খ) সাহিত্য

(গ) সঞ্চয় 

(ঘ) মিশন

৩১। রবীন্দ্রনাথের জীবনীমূলক প্রবন্ধের নাম হল –

(ক) মিশন

(খ) সঞ্চয়

(গ) প্রসাদ

(ঘ) কালান্তর

৩২। ‘সাহিত্যে চাবুক’ সাহিত্য সম্বন্ধীয় গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন –

(ক) রবীন্দ্রনাথ

(খ) প্রমথ চৌধুরী

(গ) বিবেকানন্দ

(ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র 

৩৩। প্রমথ চৌধুরীর শিক্ষা সম্বন্ধীয় প্রবন্ধের নাম হল –

(ক) সাহিত্যে খেলা

(খ) মানুষের ধর্ম

(গ) বইপড়া

(ঘ) নানা কথা 

৩৪। প্রমথ চৌধুরীর ইতিহাস সম্বন্ধীয় প্রবন্ধের নাম হল –

(ক) রায়তের কথা 

(খ) ঘরেবাইরে

(গ) তেন নুন লাকড়ি

(ঘ) হর্ষচরিত

৩৫। প্রমথ চৌধুরীর রাষ্ট্র ও সমাজনীতি সম্বন্ধীয় প্রবন্ধের নাম হল –

(ক) পাঠান বৈষ্ণব

(খ) চার ইয়ারী কথা

(গ) তেন-নুন-লকড়ি

(ঘ) রাজকুমার

৩৬। ‘পশ্চিমের যাত্রী’, ‘ইউরোপ ১৯৩৮’, ‘জাতি, সংস্কৃতি ও সাহিত্য’ ‘সাংস্কৃতিকী’ ‘দীপময় ভারত’ প্রবন্ধগুলির রচয়িতা হলেন –

(ক) রবীন্দ্রনাথ

(খ) গোপাল হালদার

(গ) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

(ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র

৩৭। সুনীতিকুমার রবীন্দ্রনাথের ভ্রমণসঙ্গী হয়ে যে গ্রন্থ রচনা করেছিলেন তার নাম –

(ক) ইউরোপ ১৯৩৮

(খ) দ্বীপময় ভারত

(গ) সাংস্কৃতিক

(ঘ) কোনোটাই নয়

৩৮। সুনীতিকুমারের শেষ পর্যায়ের রচনার একটি হল –

(ক) জীবনকথা

(খ) পথচলতি

(গ) ইউরোপ ১৯৩৮

(ঘ) ভাষাপ্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ

৩৯। গোপাল হালদার বিশ্বসংস্কৃতি, ভারতীয় ও বাঙালি সংস্কৃতির রূপ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন এমন একটি গ্রন্থ হল –

(ক) সাংস্কৃতিকী

(খ) সংস্কৃতির গোড়ার কথা

(গ) পথচলতি

(ঘ) দেশকালপাত্র

৪০। ‘ইতিহাসের ভূমিকা’, ‘বিজ্ঞানের জগৎ’, ‘বাঙালি সংস্কৃতির রূপরেখা’, ‘বাঙালি মুসলমান ও মুসলিম কালচার’ প্রবন্ধগুলির রচয়িতা হলেন –

(ক) সুনীতিকুমার

(খ) বঙ্কিমচন্দ্র

(গ) অন্নদাশংকর

(ঘ) গোপাল হালদার

৪১। ‘পথে প্রবাসে’, ‘জীবনশিল্পী’, ‘বাংলার রেনেসাঁস’, ‘সাহিত্যে সংকট’ প্রভৃতি প্রবন্ধের রচয়িতা হলেন –

(ক) গোপাল হালদার

(খ) রবীন্দ্রনাথ

(গ) অন্নদাশংকর রায় 

(ঘ) সুনীতিকুমার

৪২। ‘প্রবন্ধও উৎকৃষ্ট শ্রেণির আর্ট হতে পারে। কাব্য, নাটক, উপন্যাস যদিও সাহিত্যের অগ্রজ তিনটি শাখা আর প্রবন্ধ সর্বকনিষ্ঠ তবু প্রবন্ধকেই আমরা দেখি সর্বঘটে’ উদ্ধৃতিটি হল –

(ক) রবীন্দ্রনাথের

(খ) বঙ্কিমচন্দ্রের

(গ) সুনীতিকুমারের

(ঘ) অন্নদাশংকর রায়ের

৪৩। অর্থনীতি বিষয়ের প্রবন্ধের রচয়িতা হিসাবে খ্যাত হলেন –

(ক) বুদ্ধদেব বসু

(খ) ভবতোষ দত্ত

(গ) বিনয় ঘোষ

(ঘ) রবীন্দ্রনাথ

৪৪। ভবতোষ দত্তের অর্থনীতিকেন্দ্রিক চিন্তা ও মনস্বতার পরিচয় পাওয়া যায় কোন প্রবন্ধে?

(ক) ‘দৃষ্টিকোণ’ প্রবন্ধে

(খ) আটদশক

(গ) ‘ইকনমিকস অব ইন্‌ডাসট্রিয়েলাইজেশন’ গ্রন্থে

(ঘ) শিক্ষাভাবনা

৪৫। ভবতোষ দত্তের আত্মস্মৃতিচারণামূলক গ্রন্থ হল –

(ক) দৃষ্টিকোণ

(খ) আটদশক

(গ) শিক্ষাভাবনা

(ঘ) অর্থনীতির পথে

৪৬। ‘আন্তর্জাতিক রাজনীতি’, ‘সোভিয়েট সভ্যতা’, ‘ফ্যাসিজম ও জনযুদ্ধ’, ‘পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি’, ‘জনসভার সাহিত্য’, কালপেঁচার নক্সা’ প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা হলেন –

(ক) ভবতোষ দত্ত

(খ) বুদ্ধদেব বসু

(গ) বিনয় ঘোষ

(ঘ) সুনীতিকুমার

১। ‘চারুপাঠ’ গ্রন্থটি কার লেখা? এতে কোন বিষয় লিপিবদ্ধ রয়েছে?

‘চারুপাঠ’ গ্রন্থটি অক্ষয়কুমার দত্তের লেখা।

এতে ছাত্রোপযোগী বৈজ্ঞানিক বিষয় লিপিবদ্ধ রয়েছে।

২। অক্ষয়কুমার দত্তের ‘ধর্মনীতি’ গ্রন্থটির বিষয়বস্তু কি?

অক্ষয়কুমার দত্তের ‘ধর্মনীতি’ গ্রন্থটিতে জড়বিজ্ঞান ও ঈশ্বরতত্ত্বের সমন্বয় সাধন করা হয়েছে।

৩। ভূদেব মুখোপাধ্যায়ের দুটি প্রবন্ধের নাম লেখো।

ভূদেব মুখোপাধ্যায়ের দুটি প্রবন্ধ হল ‘পারিবারিক প্রবন্ধ’ ও ‘সামাজিক প্রবন্ধ’।

৪। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুটি গ্রন্থের নাম লেখো।

মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুটি গ্রন্থ হল ‘আত্মতত্ত্ববিদ্যা’ ও ‘জ্ঞান ও ধর্মের উন্নতি’।

৫। ‘সেকাল আর একাল’, ‘বৃদ্ধ হিন্দুর আশা’, ‘আত্মচরিত’ গ্রন্থগুলির লেখক কে? 

‘সেকাল আর একাল’, ‘বৃদ্ধ হিন্দুর আশা’, ‘আত্মচরিত’ গ্রন্থগুলির লেখক রাজনারায়ণ বসু।

৬। বিদ্যাসাগরের কাহিনিমূলক গ্রন্থ দুটির নাম লেখো।

বিদ্যাসাগরের দুটি কাহিনিমূলক গ্রন্থ হল ‘প্রভাবতী ভাষণ’ ও ‘বিদ্যাসাগর চরিত’।

৭। বঙ্কিমচন্দ্রের চারটি প্রবন্ধ গ্রন্থের নাম লেখো।

বঙ্কিমচন্দ্রের চারটি প্রবন্ধ গ্রন্থের নাম হল ‘লোকরহস্য’, ‘কমলাকান্তের দপ্তর’, ‘কৃষ্ণচরিত্র’ ‘ধর্মতত্ত্ব’।

৮। রবীন্দ্রনাথের দুটি আত্মজীবনীমূলক প্রবন্ধ গ্রন্থের নাম লেখো।

রবীন্দ্রনাথের দুটি আত্মজীবনীমূলক প্রবন্ধ হল ‘জীবনস্মৃতি’ (১৯১২) ও ‘ছেলেবেলা’ (১৯৪০)।

৯। রবীন্দ্রনাথের জীবনীমূলক প্রবন্ধের নাম লেখো। 

রবীন্দ্রনাথের জীবনীমূলক প্রবন্ধ হল ‘প্রসাদ’ (১৯৩৯), ‘মহাত্মা গান্ধী’ (১৯৪৮) প্রভৃতি।

১০। রবীন্দ্রনাথের দুটি ধর্মমূলক প্রবন্ধের নাম লেখো।

রবীন্দ্রনাথের দুটি ধর্মমূলক প্রবন্ধের নাম হল ‘উৎসব’ (১৩১২), ‘ধর্মপ্রচার’ (১৩১০)।

১১। রবীন্দ্রনাথের স্বদেশবিষয়ক দুটি প্রবন্ধের নাম লেখো।

রবীন্দ্রনাথের স্বদেশবিষয়ক দুটি প্রবন্ধ হল ‘ভারতবর্ষের ইতিহাস’ (১৩০৯), ‘দেশীয় রাজ্য’ (১৩১২)।

১২। রবীন্দ্রনাথের লেখা শেষ প্রবন্ধটির নাম কী?

রবীন্দ্রনাথের লেখা শেষ প্রবন্ধটির নাম হল ‘সভ্যতার সংকট’ (১৯৪৮)।

১৩। রবীন্দ্রনাথের শিক্ষা সম্বন্ধীয় চারটি প্রবন্ধগ্রন্থের নাম লেখো। 

রবীন্দ্রনাথের শিক্ষা সম্বন্ধীয় চারটি প্রবন্ধ গ্রন্থ হল ‘শিক্ষা’ (১৯০৮), ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপ’ (১৯৩৩), ‘আশ্রমের রূপ ও বিকাশ’ (১৯৪১) এবং ‘মিশন’ (১৯২১)।

১৪। রবীন্দ্রনাথের দুটি ব্যক্তিগত প্রবন্ধের নাম লেখো।

রবীন্দ্রনাথের দুটি ব্যক্তিগত প্রবন্ধের নাম হল ‘পঞ্চভূত’ (১৮৯৭) ও ‘বিচিত্র প্রবন্ধ’ (১৯০৭)। 

১৫। ‘বীরবলের খাতা’, ‘নানা চর্চা’ প্রবন্ধ-দুটির রচয়িতার নাম লেখো।

‘বীরবলের খাতা’, ‘নানা চর্চা’ প্রবন্ধ দুটির রচয়িতা হলেন প্রমথ চৌধুরী।

১৬। প্রমথ চৌধুরীর ইতিহাস সম্বন্ধীয় দুটি প্রবন্ধের নাম লেখো।

প্রমথ চৌধুরীর ইতিহাস সম্বন্ধীয় দুটি প্রবন্ধ হল ‘হর্ষচরিত’, ‘পাঠানবৈষ্ণব’।

১৭। ‘কালান্তর’, ‘সভ্যতার সংকট’ প্রবন্ধ দুটির রচয়িতার নাম লেখো। 

‘কালান্তর’, ‘সভ্যতার সংকট’ প্রবন্ধ দুটির রচয়িতার নাম হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

১৮। কেশবচন্দ্র সেনের একটি প্রবন্ধের নাম লেখো। 

কেশবচন্দ্র সেনের একটি প্রবন্ধের নাম হল ‘জীবনবেদে’ (১৮৮৪)।

১৯। স্বামী বিবেকানন্দের কয়েকটি প্রবন্ধের নাম লেখো।

স্বামী বিবেকানন্দের কয়েকটি প্রবন্ধ হল ‘পরিব্রাজক’, ‘প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য’, ‘ভাববার কথা’, ‘পত্রাবলী’ প্রভৃতি।

২০। প্রাবন্ধিক গোপাল হালদারের বিশেষত্ব কী?

প্রাবন্ধিক গোপাল হালদার সংস্কৃতি জিজ্ঞাসার জন্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

২১। গোপাল হালদারের প্রবন্ধে কোন দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায়?

গোপাল হালদারের প্রবন্ধে বিজ্ঞানসম্মত ঐতিহাসিক বোধ, পরিচ্ছন্ন মনন, গোঁড়ামিহীন দৃষ্টিভঙ্গি, বৈজ্ঞানিক চেতনা ও শোষণবিরোধী সমাজতন্ত্রের উজ্জ্বল পরিচয় পাওয়া যায়।

২২। বুদ্ধদেব বসুর প্রবন্ধের বিশিষ্টতা কী?

বুদ্ধদেব বসু তাঁর প্রবন্ধে ভাষার ঐশ্বর্যে, যুক্তিতে, সমালোচনার চিন্তায়, ভাবগাম্ভীর্যে, তথ্যের উপস্থাপনায় বিশিষ্টতা স্থাপন করেছেন।

২৩। ভবতোষ দত্তের প্রবন্ধে শব্দ ব্যবহারের দক্ষতা কী রূপ?

ভবতোষ দত্ত স্বচ্ছ চিন্তার অধিকারী হওয়ার জন্য শব্দ ব্যবহারে তিনি সহজ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

২৪। ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি প্রবন্ধের নাম ও তার বিষয় উল্লেখ করো।

ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি প্রবন্ধ হল ‘ভাষান্তরে বিড়ম্বনা’ যেখানে তিনি বাংলা ভাষার স্বাতন্ত্র্য নির্ণয়সূচক আলোচনা করেছেন।

২৫। পাঁচকড়ি বন্দোপাধ্যায়ের গ্রন্থে কোন ধরনের প্রকাশ রয়েছে? 

পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রবন্ধগ্রন্থ ‘বাঙালির প্রত্নতত্ত্ব’, ‘বাঙালির জাতি পরিচয়’, ‘বাঙলার উপাসক সম্প্রদায়’ প্রভৃতি গ্রন্থে বাঙালি চেতনার প্রকাশ রয়েছে।

২৬। চিত্রশিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুটি প্রবন্ধের নাম লেখো।

চিত্রশিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুটি প্রবন্ধ হল  ‘বাংলার ব্রত’ ও ভারতশিল্পের ষড়ঙ্গ’।

১। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধ সাহিত্যের পরিচয় দাও।

উনবিংশ শতাব্দীর বাংলার নবজাগরণের প্রাণপুরুষ, বাংলা সাহিত্যের নতুন ভগীরথ, কথাসাহিত্য ও প্রবন্ধ সাহিত্যের প্রবাদপ্রতিম পুরুষ সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র। তিনি তৎকালীন নব্যবাংলার সমাজজীবনের অধঃপতন, অস্থিরতা শাণিত যুক্তি-বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে তত্ত্ব ও তথ্যের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে রসাশ্রিত করে প্রবন্ধ সাহিত্য রচনা করতে সমর্থ হয়েছিলেন। বঙ্কিমচন্দ্রের রচনাগুলিকে বিষয়বস্তু ও রসবিচারে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যেতে পারে – ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক, জ্ঞান-বিষয়ক, ধর্ম ও দর্শন শাস্ত্রবিষয়ক ও সাহিত্য সমালোচনামূলক প্রবন্ধ।

ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক প্রবন্ধের মধ্যএ রয়েছে ‘লোকরহস্য’ (১৮৭৪), ‘কমলাকান্তের দপ্তর’ (১৮৭৫), ‘মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত’ (১৮৮০)। জ্ঞান-বিষয়ক প্রবন্ধের মধ্যে রয়েছে ‘বিজ্ঞান রহস্য’ (১৮৭৫), ‘বিবিধ প্রবন্ধ’ (১ম খণ্ড ১৮৮৭, ২য় খন্ড ১৮৯২), ‘সাম্য’ (১৮৭৯)। ধর্ম ও দর্শন শাস্ত্রবিষয়ক প্রবন্ধের মধ্যে রয়েছে ‘কৃষ্ণচরিত্র’ (১৮৯২), ‘ধর্মতত্ত্ব’ (১৮৮৮) এবং সাহিত্য সমালোচনামূলক প্রবন্ধের মধ্যে রয়েছে ‘বিবিধ সমালোচনা’ (১৮৭৬)। 

বঙ্কিমচন্দ্র হাস্যরসসৃষ্টির এক অনন্য রূপকার। একদিকে তত্ত্ব, অপরদিকে যুক্তি, একদিকে সামাজিক সংস্কার, অপরদিকে চরিত্রের অবনমনকে প্রকাশ করতে গিয়ে কৌতুকরসের আশ্রয় নিয়েছেন। জ্ঞান-বিজ্ঞান বিষয়ের প্রবন্ধগুলিতে পাশ্চাত্যের বৈজ্ঞানিকদের ধ্যান-ধারণার ছাপ, বিষয়বস্তুগুলি গল্পের মতো সহজ-সরল ও সরস করে উপস্থাপিত। বিবিধ প্রবন্ধ গ্ৰন্থটিতে সাহিত্য, প্রত্নতত্ত্ব, ইতিহাস, অর্থনীতি, রাজনীতি প্রভৃতি বিষয়গুলি প্রবন্ধ আকারে রচিত হয়েছে। 

রচনাগুলিতে লেখকের স্বাদেশিকতাবোধের পরিচয় যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে তথ্য, যুক্তি ও আদর্শগত ভাবনা। লেখক ‘কৃষ্ণচরিত্র’ গ্রন্থটি সম্পর্কে বলেছেন, “কৃষ্ণের ঈশ্বরতত্ত্ব প্রতিপন্ন করা এই গ্রন্থের উদ্দেশ্য নহে। তাহার মানবচরিত্র সমালোচনা করাই আমার উদ্দেশ্য।” বঙ্কিমচন্দ্র যুক্তি, বিশ্লেষণ, মানবিকতা, স্বাদেশিকতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাজকে নবরূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ কখনোই সাহিত্যরসকে ক্ষুণ্ণ করে নি, তাই তিনি সৌন্দর্যের পূজারি ও স্রষ্টা।

২। বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যে প্রমথ চৌধুরীর অবদান সম্পর্কে আলোচনা করো। 

উচ্চশিক্ষিত, বিদগ্ধ পণ্ডিত, সবুজপত্রের সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যজগতে ‘বীরবল’ নামেই বেশি পরিচিত। রবীন্দ্রনাথের আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্য লাভ করলেও রবীন্দ্রধারার অনুবর্তী না হয়ে সাহিত্যে এক বিশেষ রীতি প্রবর্তন করেছিলেন, যা ‘বীরবলী ঢং’ নামে খ্যাত। প্রমথ চৌধুরীর এই বিশেষ রীতি হল সাহিত্যের ভাষা বিষয়ে চলিতরীতির প্রবর্তন এবং সংস্কারবর্জিত আধুনিক মনোভাবের প্রকাশ অর্থাৎ তিনি বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে প্রগতিশীল, যুক্তিনিষ্ঠ অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে ‘তেল-নুন-লকড়ি’ (১৯০৬), ‘বীরবলের হালখাতা’ (১৯১৭), ‘নানা কথা’ (১৯১৯), ‘আমাদের শিক্ষা’ (১৯২০), ‘দু-ইয়ার্কি’ (১৯২১), ‘বীরবলের টিপ্পনী’ (১৯২১), ‘রায়তের কথা’ (১৯২৬), ‘নানা চর্চা’ (১৯৩২), ‘ঘরেবাইরে’ (১৯৩৬), ‘প্রাচীন হিন্দুস্থান’ (১৯৪০), ‘বঙ্গসাহিত্যের সংক্ষিপ্ত পরিচয়’ (১৯৪৪), ‘আত্মকথা’ (১৯৪৬) এবং প্রাচীন বঙ্গসাহিত্যে হিন্দুমুসলমান’ (১৯৫৩)।

প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যে ভাষার ক্ষেত্রে মুখের ভাষাকেই প্রাধান্য দিতে চেয়েছেন, তাঁর কাছে সাধুভাষা একটি কৃত্রিম ভাষা বলে মনে হয়েছে। ‘জয়দেব’, ‘চিত্রাঙ্গদা’ প্রভৃতি প্রবন্ধে আলোচনা করে মাতৃভাষাকেই শিক্ষার বাহন করার যৌক্তিকতা প্রসঙ্গে সুচিন্তিত মতামত জ্ঞাপন করেছেন। ‘রায়তের কথা’ গ্রন্থে বাংলার কৃষকের প্রতি গভীর মমত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন, সঙ্গে সঙ্গে দেশের নেতাদের প্রতি অম্লমধুর মন্তব্যও করেছেন। প্রমথ চৌধুরীর বিশেষত্ব এই যে, তিনি খ্যাতনামা প্রাবন্ধিক হলেও অনেক প্রবন্ধের আলোচনায় আবেগাপ্রবণ মনের উচ্ছ্বাস ছুঁয়ে গিয়েছে।

প্রমথ চৌধুরীর কৃতিত্ব এখানেই যে, তিনি রবীন্দ্রনাথকেও প্রভাবিত করে চলিতভাষা ব্যবহারে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের বলেছেন, “তোমার গদ্য প্রবন্ধ সবগুলিই পড়েছি। তোমার কবিতায় যে গুণ তোমার গদ্যেও তাই দেখি, কোথাও ফাঁক নেই এবং শৈথিল্য নেই, একেবারে ঠাসবুনানি।”

৩। বিষয় অনুযায়ী রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধসাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে? রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যবিষয়ক প্রবন্ধ সম্পর্কে আলোচনা করো।

বাংলা গদ্যসাহিত্যের সূচনাপর্বে রামমোহন, বিদ্যাসাগর, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর লেখনী ধারণ করে যে যাত্রা শুরু করেছিলেন, সেই যাত্রাপথে বঙ্কিমের লেখনীতে গদ্যসাহিত্যের প্রবন্ধের অবয়ব নির্মিত হয়েছিল এবং তাতে প্রজ্ঞায়, মনস্বিতায় ও হৃদয়বত্তায় প্রাণপ্রতিষ্ঠা করে সাহিত্যানুরাগীদের কাছে অমুল্য সম্পদরূপে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের বরেণ্য ভারতাত্মার প্রাণপুরুষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর প্রবন্ধের উৎকর্ষ, সাহিত্যরস ও সাহিত্যমূল্য নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে বিচারবিশ্লেষণ করলে বোঝা যাবে তিনি কতরূপে, কতভাবে, কত আঙ্গিকে প্রবন্ধের বিশ্লেষণ করেছেন। 

তাঁর চিন্তাপ্রসূত প্রবন্ধ সাহিত্যধারাকে – (১) সাহিত্যতত্ত্ব, (২) সমাজনীতি, রাজনীতি ও শিক্ষাবিষয়ক, (৩) ধর্ম-দর্শন বিষয়ক, (৪) ব্যক্তিগত প্রবন্ধ, (৫) পত্রাবলী, (৬) বিবিধ বিষয়ক ভাগে ভাগ করা যায়।

রবীন্দ্রনাথ প্রবন্ধক্ষেত্রে চলা শুরু করেছিলেন সাময়িকপত্র ‘জ্ঞানাঙ্কুর’ ও ‘প্রতিবিম্ব’ পত্রিকার হাত ধরে, যার মধ্যে রয়েছে ‘ভুবনমোহিনী প্রতিভা’, ‘দুঃখ-সঙ্গিনী’ ও ‘অবসর সরোজিনী’ প্রবন্ধগুলি। এরপর ‘ভারতী’ পত্রিকায় জ্ঞান-বিজ্ঞান প্রবন্ধ ‘সামুদ্রিক জীবকীটাণু’ ও ‘মেঘনাদবধ কাব্যে’র সমালোচনা করে প্রবন্ধ লিখেছিলেন, যার মধ্যে তাঁর সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ, মননশীলতা, প্রজ্ঞা, বহুদর্শিতা গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। 

কবির ‘প্রাচীন সাহিত্য’ (১৯০৭), ‘লোকসাহিত্য’ (১৯০৭), ‘সাহিত্য’ (১৯০৭), ‘আধুনিক সাহিত্য’ (১৯০৭), ‘সাহিত্যের পথে’ (১৯৩৬), ‘সাহিত্যের স্বরূপ’ (১৯৪৩) প্রভৃতি প্রবন্ধগুলিতে সাহিত্যবিচার, বিশিষ্ট কবি-সাহিত্যিকদের রচনা সম্পর্কিত প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। কবি প্রাচীন সাহিত্যে তাঁর পূজারত রূপ ও সাহিত্যকে উপভোগ করার সময় পরিবেশ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।

‘লোকসাহিত্যে’ লোকসংস্কৃতিই যে মানুষের অতীতকালের পরিচয়বাহী ও মানবজীবনের সৌন্দর্যবোধ ও শক্তি তার আলোচনা করেছেন। ‘আধুনিক সাহিত্যে’ সাহিত্যস্রষ্টাদের প্রতিভার নতুন দিক বিকাশে এবং ‘সাহিত্য’ ‘সাহিত্যের পথে’ ও ‘সাহিত্যের স্বরূপ’ প্রবন্ধগুলিতে কাব্যতত্ত্বের বিভিন্ন দিক আলোচনা করেছেন। 

ড শ্রীকুমার বন্দোপাধ্যায় বলেছেন- “উপনিষদাপ্রাপ্ত যে আনন্দ হইতে নিখিল বিশ্বের উদ্ভব। সেই আনন্দই রবীন্দ্রনাথের মতে সাহিত্যের আদর্শ লোকসৃষ্টিরও মূল কারণ।

Leave a Comment